বঙ্গবন্ধুর জীবনী

বঙ্গবন্ধুর জীবনী শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম 17 ই মার্চ 1920 সালে, তার গ্রামের নাম টুঙ্গিপাড়া গোপালগঞ্জ ডিসটিক, তার পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান যিনি একজন গোপালগঞ্জ সিভিল কোর্ট এর কেরানি ছিলেন.

বঙ্গবন্ধুর মুজিবুর রহমানের মাতার নাম সায়রা খাতুন, 1929 সালে মুজিবুর রহমান তার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুল থেকে এরপর মাদারীপুর ইসলামিয়া হাই স্কুল গোপালগঞ্জ মিশন স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাস করেন.

বঙ্গবন্ধুর জীবনী ভিডিও প্লেলিস্ট

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী পর্ব ২

  • বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা

  • রচনা:বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ

  • প্রবন্ধ রচনা : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান || প্রবন্ধ রচনা || বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

  • বঙ্গবন্ধুর জীবনী বাংলা রচনা

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী একটি গর্বিত অংশ হিসেবে বাংলা ভাষায় রচনা করা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম নেতা এবং দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর জীবনী লেখা হয়েছে তার বৃদ্ধি, নেতৃত্ব, এবং পথ-প্রদর্শনের অনুভূতির উপরে। তার সকল উত্কৃষ্টতা, যোগাযোগ, এবং প্রতিকূলতা বাংলাদেশের স্থায়িত্ব এবং স্বাধীনতা গতিতে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। তাঁর সমর্থনে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি সম্প্রতি মৃত্যুবরণের পরিচালকগণের হাতে মারা গেছিলেন।

    বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন এবং আদর্শ অত্যন্ত আদর্শমূলক এবং সম্মানজনক ছিল। তিনি বাংলাদেশের জন্মদাতা হিসেবে গণ্য হন, এবং তার জীবনের প্রতিটি দিক আদর্শমূলক পরিপ্রেক্ষিতে উল্লেখযোগ্য।

    ১. দৃষ্টিশক্তি ও নিশ্চয়তা: বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান সততা, নিশ্চয়তা এবং দৃষ্টিশক্তির এক অদম্য স্রোত ছিলেন। তার ভূমিকা স্বাধীনতা সংগ্রামে অমূল্য ছিল, যেখানে তিনি আত্মবিশ্বাস, নিশ্চিততা এবং জনগণের একত্বের প্রতি অবিচ্ছিন্ন বিশ্বাস প্রদর্শন করেন।

    ২. জনগণের সেবা ও সম্মান: বঙ্গবন্ধুর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড ছিল মানুষের সেবা ও তাদের সম্মানের প্রতি আদর। তিনি চিরসত্তা, বিশ্বাস এবং সহযোগিতার মাধ্যমে মানুষের জীবনকে উন্নত করার দিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    ৩. দেশপ্রেম: বঙ্গবন্ধুর জন্ম স্থান বাংলাদেশ ও তার মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা ছিল। তিনি সবসময় বাংলাদেশের উন্নতি এবং মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করেন।

    ৪. সহিষ্ণুতা ও সহযোগিতা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহিষ্ণুতা এবং সহযোগিতার আদর্শ এবং সর্বদাই বিশ্বাস করেন যে এই দুটি গুণের মাধ্যমে সমাজের মধ্যে সমগ্রতা ও শান্তি সংরক্ষণ হয়।

    এই সমস্ত আদর্শগুলি বঙ্গবন্ধুর জীবনের আলোকিত দিকগুলিতে প্রতিফলিত হন, এবং তার প্রতিষ্ঠানিত বাংলাদেশের নির্মাণে এই আদর্শগুলি অপার ভূমিকা পালন করে। তিনি একজন অদম্য নেতা এবং মানুষের প্রিয় ছিলেন যা তার প্রতিষ্ঠিত দেশের মানুষের মধ্যে চিরস্থায়ী করে রেখেছে।

    বঙ্গবন্ধু মানুষ জিজ্ঞেস করে
    

    বঙ্গবন্ধুর জীবনী ইতিহাস, বঙ্গবন্ধুর জীবনী বাংলা রচনা, বঙ্গবন্ধুর জীবনী বাংলা রচনা ৩০০ শব্দ

    5/5 - (1 vote)

    মন্তব্য করুন