ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে জয় পেল শ্রীলঙ্কা
এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচে এক দাপুটে জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে মাত্র ১৩৯ রান করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। জবাবে শ্রীলঙ্কা মাত্র ১৪.৪ ওভারেই ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। এর ফলে শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে ম্যাচটি জিতে নেয়।
বাংলাদেশের হয়ে শেষ দিকে জাকের আলী ও শামীম হোসেন অসাধারণ পার্টনারশিপ গড়ে দলকে একটি সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছাতে সাহায্য করেন। জাকের ৪১* এবং শামীম ৪২* রান করেন।
📈 Promote your Business
🕒 1st Month FREE + Lifetime Plan Available!
বাংলাদেশের ব্যাটিং স্কোরকার্ড
| ব্যাটসম্যান | রান | বল | ৪s | ৬s | স্ট্রাইক রেট | আউটের ধরণ |
| তানজিদ হাসান | ০ | ৬ | ০ | ০ | ০.০০ | b নুয়ান থুসারা |
| পারভেজ হোসেন ইমন | ০ | ৪ | ০ | ০ | ০.০০ | c কুশল মেন্ডিস b দুশমন্ত চামিরা |
| লিটন দাস (C & WK) | ২৮ | ২৬ | ৪ | ০ | ১০৭.৬৯ | c কুশল মেন্ডিস b ওয়ানিডু হাসারাঙ্গা |
| তাওহীদ হৃদয় | ৮ | ৯ | ০ | ০ | ৮৮.৮৯ | রান আউট (কামিল মিশারা) |
| মেহেদী হাসান | ৯ | ৭ | ১ | ০ | ১২৮.৫৭ | এলবিডব্লিউ b ওয়ানিডু হাসারাঙ্গা |
| জাকের আলী | ৪১ | ৩৪ | ২ | ০ | ১২০.৫৯ | অপরাজিত |
| শামীম হোসেন | ৪২ | ৩৪ | ৩ | ১ | ১২৩.৫৩ | অপরাজিত |
অতিরিক্ত রান (Extras run): ১১ (ব ২, লেগ বাই ৩, ওয়াইড ৬)
মোট রান: ১৩৯ (৫ উইকেট, ২০ ওভার)
শ্রীলঙ্কার বোলিং
শ্রীলঙ্কার বোলারদের মধ্যে ওয়ানিডু হাসারাঙ্গা মাত্র ২৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এছাড়া নুয়ান থুসারা এবং দুশমন্ত চামিরা দুর্দান্ত লাইন ও লেন্থ বজায় রেখে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ভেঙে দেন।
শ্রীলঙ্কার বোলিং স্কোরকার্ড
| বোলার | ওভার | মেডেন | রান | উইকেট | ইকোনমি |
| নুয়ান থুসারা | ৪ | ১ | ১৭ | ১ | ৪.২৫ |
| দুশমন্ত চামিরা | ৪ | ১ | ১৭ | ১ | ৪.২৫ |
| দাসুন শানাকা | ৩ | ০ | ২৭ | ০ | ৯.০০ |
| মাথিশা পাথিরানা | ৪ | ০ | ৪২ | ০ | ১০.৫০ |
| ওয়ানিডু হাসারাঙ্গা | ৪ | ০ | ২৫ | ২ | ৬.২৫ |
| চারিথ আসালাঙ্কা (C) | ১ | ০ | ৬ | ০ | ৬.০০ |
শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং পারফরম্যান্স
১৪০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কা শুরুতেই কুশল মেন্ডিসকে হারালেও, পাথুম নিসাঙ্কা এবং কামিল মিশারার দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সহজেই জয় পায়। পাথুম নিসাঙ্কা ৫০ রান করেন এবং কামিল মিশারা ৪৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং স্কোরকার্ড
| ব্যাটসম্যান | রান | বল | ৪s | ৬s | স্ট্রাইক রেট | আউটের ধরণ |
| পাথুম নিসাঙ্কা | ৫০ | ৩৪ | ৬ | ১ | ১৪৭.০৬ | c শরীফুল ইসলাম b মেহেদী হাসান |
| কুশল মেন্ডিস (WK) | ৩ | ৬ | ০ | ০ | ৫০.০০ | b মুস্তাফিজুর রহমান |
| কামিল মিশারা | ৪৬ | ৩২ | ৪ | ২ | ১৪৩.৭৫ | অপরাজিত(not out) |
| কুশল পেরেরা | ৯ | ৯ | ১ | ০ | ১০০.০০ | এলবিডব্লিউ b মেহেদী হাসান |
| দাসুন শানাকা | ১ | ৩ | ০ | ০ | ৩৩.৩৩ | c মুস্তাফিজুর রহমান b তানজিম হাসান সাকিব |
| চারিথ আসালাঙ্কা (C) | ১০ | ৪ | ০ | ১ | ২৫০.০০ | অপরাজিত |
অতিরিক্ত রান (Extras run): ১১ (ওয়াইড ১৬, লেগ বাই ৫, )
মোট: ১৪০ (৪ উইকেট, ১৪.৪ ওভার)
বাংলাদেশের বোলিং
বাংলাদেশের বোলাররা এই ম্যাচে উইকেট নিতে পারলেও রান আটকাতে ব্যর্থ হন। মেহেদী হাসান দুটি উইকেট নিয়েছেন, এছাড়া মুস্তাফিজুর রহমান এবং তানজিম হাসান সাকিব একটি করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশের বোলিং স্কোরকার্ড
| বোলার | ওভার | মেডেন | রান | উইকেট | ইকোনমি |
| শরীফুল ইসলাম | ৩ | ০ | ২৬ | ০ | ৮.৬৭ |
| মুস্তাফিজুর রহমান | ৩ | ০ | ৩৫ | ১ | ১১.৬৭ |
| তানজিম হাসান সাকিব | ৩ | ০ | ২৩ | ১ | ৭.৬৭ |
| মেহেদী হাসান | ৪ | ০ | ২৯ | ২ | ৭.২৫ |
| রিশাদ হোসেন | ১ | ০ | ১৮ | ০ | ১৮.০০ |
| শামীম হোসেন | ০.৪ | ০ | ৪ | ০ | ৬.০০ |
ম্যাচের ফলাফল ও তাৎপর্য
এই দাপুটে জয়ের ফলে শ্রীলঙ্কা এশিয়া কাপে তাদের অভিযান শুরু করল একটি দুর্দান্ত জয় দিয়ে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের জন্য এটি টুর্নামেন্টের শুরুতেই একটি বড় ধাক্কা। তারা এই ম্যাচের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচগুলোতে ভালো পারফর্ম করার চেষ্টা করবে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
কোন দল জয় লাভ করেছে এবং কত রানে?
শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটের ব্যবধানে জয় লাভ করেছে।
কোন ব্যাটসম্যান সবচেয়ে বেশি রান বানিয়েছে?
শ্রীলঙ্কার পাথুম নিসাঙ্কা ৫০ রান করে এই ম্যাচে সর্বোচ্চ রান করেছেন।
এই ম্যাচের ম্যান অব দ্য ম্যাচ কে ছিলেন?
কামিল মিশারা তার অর্ধশত রানের জন্য এই পুরস্কার লাভ করেন।
কোন বোলার সবচেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন?
শ্রীলঙ্কার ওয়ানিডু হাসারাঙ্গা ২৫ রান দিয়ে ২টি উইকেট নিয়েছিলেন।
ম্যাচটি কোন স্টেডিয়ামে ও কোন দেশে খেলা হয়েছিল?
এই ম্যাচটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অবস্থিত শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে খেলা হয়েছিল।
Your comment will appear immediately after submission.